RH

১৯ অক্টোবর ২০২২

সূরা ফাতিহা

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।

ফাতিহাতুল কিতাব, উম্মূল কিতাব, সাবয়ে মাছানী, হামদ, মুনাজাত, তা'লীমুল মাছআলাহ, ফাতিহাতুল কুরআন, উম্মুল কুরআন, কুরআনে আজিম এসকল নামে ফাতিহা শব্দের বাংলা অর্থ সূচনা, ভূমিকা। এ সূরার মাধ্যমে পবিত্র কুরআন শুরু করা হয়েছে তাই নাম রাখা হয়েছে ফাতিহা।

সূরার বিষয় বস্তুর পরিপ্রেক্ষিতেই নামকরণ করা হয়েছে সূরা আল ফাতিহা। কেননা যদ্বারা কোন বিষয় বা কোন গ্রন্থ বা কোন কাজ আরম্ভ করা হয়, আরবী পরিভাষায় তাকেই 'ফাতিহা' বলা হয়।

আল- কুরআনুল করীম আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর বাণী সম্বলিত সন্দেহ মুক্ত একখানা আরবী ভাষার আসমানী কিতাব।

আসমানী ১০৪ খানা সহীফা ও কিতাবের মধ্যে আল- কুরআনুল হাকীম সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব। 

আল- কুরআনুল করীম লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত আছে।

হযরত নবী করিম মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা'য়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর কাছে সুদীর্ঘ তেইশ বছরে ফেরেশতা জিবরাঈল (আঃ)- এর মাধ্যমে প্রয়োজন মোতাবেক এই কিতাব অবতীর্ণ করা হয়।

যখন অহী অবতীর্ণ হত, তখন মহানবী সাল্লাল্লাহু তা'য়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্মৃতিতে সেটা মুখস্থ করে রাখতেন এবং সম্মানিত কাতেবে অহী বা অহী লিখকগণকে ডেকে এনে তা লিখে রাখার নির্দেশ প্রদান করতেন। 

এ ছাড়াও সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুম আজমাঈন হযরত মূহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা'য়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর কাছ থেকে তা শুনে তাদের স্মৃতিতে মুখস্থ করে রাখতেন।

হযরত মহানবী সাল্লাল্লাহু তা'য়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর ওফাতের পর প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)- এর খিলাফত আমলে বিখ্যাত "ইয়ামামার" যুদ্ধে যখন বহু সংখ্যক হাফেজে কোরআন সাহাবী শাহাদত বরণ করলেন, তখন আল- কোরআনুল করীম মুখস্থ থাকার প্রচলিত প্রথা বিলুপ্ত হবার প্রবল আশংকা দেখা দিল এই কারণে হযরত আবূ বকর সিদ্দিক (রাঃ) গণ্যমান্য সাহাবীগণের পরামর্শ মোতাবেক সর্বপ্রথম আল- কুরআনুল হাকীম গ্রন্থাকারে সংকলনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক অহী লেখক যায়েদ ইবনে সাবেত (রাঃ)- কে কমিটি প্রধান করে কোরআন সংকলনের দায়িত্ব ভার তাকেই প্রদান করা হয়। তিনি অন্যান্য হাফেজে কোরআন সাহাবাগণ ও বিভিন্ন উপাদানের উপর লিখিত অংশ গুলো পরস্পর মিলিয়ে সংকলন আকারে তা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)- এর হাতে অর্পণ করেন।

হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) এই সংকলন কপি হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) এর কাছে জমা রাখেন। 

দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) শাহাদাতের পূর্বে তিনি সেই সংকলন কপিটি তাঁর কন্যা উম্মূল মু'মেনীন হযরত হাফসা (রাঃ)- এর কাছে জমা রেখে যান।

তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রাঃ)- এর খিলাফত আমলে যখন ইসলামী সাম্রাজ্য বিস্তার লাভ করতে থাকে, তখন আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক উচ্চারণে অনেকেই আল- কুরআনুল করীম তেলাওয়াত করতে শুরু করেন এবং এতে কোরআনের অর্থের বিকৃতির আশংকা দেখা দেয়। এরই ফলশ্রুতিতে হযরত হুযাইফা (রাঃ)- এর পরামর্শ মোতাবেক হযরত উসমান (রাঃ) রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে আল- কুরআনুল হাকীম প্রেরণের জন্যে হযরত যায়েদ ইবনে সাবেত (রাঃ) কে আবার এক কপি সংকলনের দায়িত্বভার অর্পণ করেন।

হযরত ইবনে সাবেত (রাঃ) ছয়টি কপি সংকলন করেন এর একটি কপি তাশখন্দের যাদুঘরে আর একটি বৃটিশ মিউজিয়ামে রক্ষিত আছে এবং একটি ফটোকপি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ লাইব্রেরীতে সংরক্ষিত আছে। অদ্যাবধী সেই সংকলন- ধারা বহমান আছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে -ইনশাআল্লাহ।

'নিশ্চয়ই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি, আর আমি নিজেই এর রক্ষক' -সূরা আল হিজর ১৫- ০৯।

'আল্লাহ অবতীর্ণ করিয়াছেন উত্তম বাণী সম্বলিত কিতাব যাহা সুসমঞ্জস এবং যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্তি করা হয়' -সূরা আযযুমার ৩৯- ২৩।

'আরবী ভাষায় এই কোরআন বক্রতামুক্ত, যাহাতে মানুষ সাবধানতা অবলম্বন করে' -সূরা আযযুমার ৩৯- ২৮।

সূরা আল হিজর ১৫- ৮৭





২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রস্তাব

আলোচ্য বিষয় বিয়ে প্রসঙ্গে। অধ্যায়নে সব থেকে সহজ হচ্ছে অল্প বয়সে আল কোরআনূল কারীম মুখস্থ করে কর্মে যাওয়া সম্মানীত পেশা ইমাম বিশ্লেষণে মুহাদ্দিস বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য নেওয়া নিষেধ আছে।
প্রস্তাব ছিল

৩১ আগস্ট ২০২১

অনূদান

নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দান। যোগ্যতা অনুযায়ী দান,বৃত্তি,ভাতা বা সহায়তা করা। সামর্থ্য বলতে উপযুক্ততাও আর সাহায্য সহায়তা বলতে আনুকূল্য, মদদ ও কাজে সাহায্য করা। প্রয়োজনের অতিরিক্ত যা তা অন্যকে দেওয়া। টাকা দিয়ে সাহায্য করা যা সবার সামর্থ্য হয় না তখন তা বুদ্ধি ও পরামর্শে যায় এবং তা সব মানুষে পায়। মজুর  ধনবানকে সাহায্য করে মজুরি নিয়ে- বিনিময়। নিঃস্বার্থ ভাবে কোন কিছুই হয়না দশ টাকা সাহায্য করে রাতে ঘুমের মধ্যে মুচকি হেসে ঘুমিয়ে পড়েন- শান্তি'বিনিময়। হুক্কা- নদীর তীরে বসে সতেজ বাতাস নিয়ে নিজেকে সতেজ করে পানি খেয়ে বিনিময়ে খালি বোতল নদীতে ছুড়লেন ফোঁটা' উপরে নাব্যতা হারালো- ক্ষতি'প্রকৃতি, বিনিময়ে অনূদান প্রাপ্য। ভ্রমণে মনের আনন্দে গাড়ী চালিয়ে সবুজে থমকে শরীরের অপ্রয়োজনীয় ব্রজ্য ত্যাগের মরু ওটায় দূষিত বায়ুতে দূষিত পরিবেশে আপনার আগমন প্রাণীর খাদ্যে ডিম্বে পরিত্রাণ প্রাপ্তি- ঔষধে,বিনিময়ে অনুদান।
মানুষ'প্রাণী, প্রকৃতি পরিবেশে সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদানের যোগ্য কে?
প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করিতে হয়। আউলিয়ারা মরে না। ঘুমকে বলা হয় অর্ধ মৃত। মৃত্যুর পর দাফন কার্যে ওকে কাঠের ছাউনি বিছিনোর জন্য নিজের প্রয়োজনে পরিচিত জনদের অনূদান।
সাহায্য বা অনূদান নিজে বা অন্যকে দিয়েও করা যায় এতে দু-জনেরই সওয়াব হয়। পয়সা ইনকাম করা সহজ কাজ নদীতে নেমে বালু বা পাথর উত্তোলন করলেই পয়সা কঠিন কাজ হচ্ছে বিদ্যা অন্বেষণ বুদ্ধির কাজে প্রয়োজনীয় জ্বালানী সরবরাহ করা না হলে শরীর খারাপ হয় কম্পিউটার এর আলো চোখে পড়ে মস্তিষ্ক উত্তেজিত হয়। শিশুরা মোবাইলে আসক্ত সচেতনতায় অনুদান প্রাপ্তি।
অস্বিকার করার উপায় কি, বাঁশ দ্রুত বর্ধিত বৃক্ষ প্রতি মিনিটে বাড়ে তারপর থেমে যায় বৃষ্টিতে ভিজে, শুকোয় কাজে বৃবহৃত হয় অথবা মাটিতে মিশে কাজে বৃবহৃত হলে অনেক দিন থাকে-সিজন।
প্রকৃয়ায় রক্ষায়- অনুদান বা বিনিময়।


আদায়ে ২৫% আদায়কারী পায় ৭৫% সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যায় অনুদানে বৃত্তি শিক্ষার্থী, ভাতা শ্রমের বিনিময়ে খায়,,, 
 চায়, অনেকেই চায় আমাদের এখনকার কথায় গেলে জানাতে হয় কনস্ট্রাকশন ফার্ম ছিলো অনেক শ্রমিক কাজ করতো কখনও দেওয়া হয় কখনো তাকিয়ে থাকতে হয় যখন দেওয়া হয় তখন বলা হয়-
এইটা তোমার জন্য,
এটা তার জন্য, 
অনলাইন ব্লক চেইন ওয়ালেট এ লেনদেনের সব তথ্যই থাকে তাকিয়ে থাকায় মনের কথা কয়জনেই শুনে-প্যাচাল।
করোনায় শিক্ষাটা ভালোই হলো কিছু মানুষ আর্থিক সহায়তা চাইলো পরামর্শ পেলো টাকাই চাই এখন উপায় নাই, নাই বেশ কয়েকজন নাই।
গর্ভ-




বিবিধ পেশায় মানুষ প্রার্থনাকারী বিবেচনায় নাম পিতা- মাতাও উল্লেখ্য।

০৫ এপ্রিল ২০২১

ভুমিকম্প

আজকের রাত ৯.২৫মিনিটের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সিকিম কম্পনের মাত্রা ৫.৪।
https://azadi40.blogspot.com

০৪ মার্চ ২০২১

অবাক

নির্বাক,মূক,জলপান বা আশ্চর্যজনক। গিয়েছিলাম রাজধানীতে অনেক আগে ১৯৯৩ এর পরে কাজ সেরে ভাতের দোকান খুঁজছি সুন্দরী এক মেয়ে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিল বললো এখানে কি এই লাড্ডু আমরা বানিয়েছি বললাম ভাতের দোকান খুঁজছি দেখিয়ে দিল। তারপর মাঝে মাঝেই আমার সে কথা মনে হতো আমাকে কেন এ কথা বললো? আমাকে বলা মানেই তো আমার কাছে চাওয়া। আমার কপালে তখনও হালকা কালো দাগ সালাতের সিজদার কালো দাগ। 'দিপ্তমান চিহ্ন সিজদার কারণে -দেখা যাক। চলতি ঘটনার প্রত্যেকটা মূহুর্ত আমার কেন সবারই মনে থাকে। স্মৃতি কখনো কখনো কিছুটা এলোমেলো সবারই হয় তা অনেকটা পরিস্থিতি,পরিবেশে ব্যস্ততা নির্ভর। অনেক বছর পর খেয়াল করে দেখছি লাড্ডুতে তাদের ভালোই ব্যবসা হয়েছে তবে নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত।
চাইতে হয় দিলে কমেনা বরং বাড়ে। দান, নিজের দান দাঁড়িয়ে থেকে অন্যের হাত দিয়েও দেওয়া যায় এতে দুই জনেরই হয়। 
অবাক করা নির্বাক ভাবনাটা এখন আমার 

০১ জানুয়ারি ২০২১

সাল

আজকে দুই হাজার বিশ শেষে দুই হাজার একুশ সালের প্রথম দিন। রাত- দিনের হিসাব সবাই রাখে। সারা দিনের কাজের মাঝে যখন দিনের শেষে সূর্য লুকিয়ে পড়ে তখন চাঁদের দেখা মেলে সঙ্গে অসংখ্য তাঁরা। তাঁরা যখন লুকিয়ে পড়ে তখন আবার সূর্যের দেখা মিলে এভাবেই চলছে কখনো অমাবস্যা কখনো পূর্ণিমা, দিন,সপ্তাহ,মাস,বৎসর,যুগ,শতাব্দী এভাবেই
সাল- বৎসর, সাধারণত বাংলা বা হিজরী বর্ষ গণনায় প্রযুক্ত বৎসর সংখ্যায় সন এবং ঈসায়ী বৎসর সংখ্যায় সাল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- বাংলা  সন  ঈসায়ী ২০২১ সাল।
https://azadi40.blogspot.com

২৩ ডিসেম্বর ২০২০

খাদ্য

এক মহিলা একাকী নির্জনে নিদৃষ্ট স্থানে গিয়ে কুপ-কুয়ো থেকে পানির পাত্রে প্রয়োজনীয় পানি তুলে নিয়ে আসতো অন্য জনে তা দেখে বললেন এটা কিভাবে সম্ভব হলো আমি কুয়োর মধ্যে পানি দেখতে পাচ্ছি না মহিলা জানালেন আমার যখন প্রয়োজন হয় তখন আমি কুয়োর কাছে এসে দরুদ পাঠ করি ও আমার প্রয়োজনীয় পানি নিয়ে চলে আসি এবং পানি তার যথা স্থানে ফিরে যায় এবং তা দেখিয়ে দিলেন-(শুনেছি)।
খাদ্য

০৬ ডিসেম্বর ২০২০

পঞ্চগড়ের অর্থনৈতিক উন্নয়নের খাত সমুহ

 বাবার বাড়ী দিনাজপুর অনেক আত্মীয় স্বজন আছে পূর্ব জেলা দিনাজপুরে। মায়ের বাড়ী মিরগড়, থানা থেকে মহকুমা এবং পরে জেলা পঁচাগড়। পঁচাগড় নামটি খারাপ না বেশ ভালো বলতে খুব ভালো। আমরা থাকতাম গড়ের ডাংগা এরপর এক নম্বর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এবং এখন পুরাতন পঞ্চগড় জেলা জমিয়তে আহলে হাদীস মসজিদের উত্তর পার্শ্বে। জন্ম পঞ্চগড়ে এবং বেড়ে ওঠা এখানেই। 

০১ ডিসেম্বর ২০২০

হালখাতা

 হালখাতা হিসাবের খাতা যা ব্যবসায়ীগণ বৎসরান্তে নবীনতর করেন। পাাড়়া়র দোকান থেকে শুরু হয়় মহাজনের মহাজনে তা শেষ হয়। মুদি দোকান, কাঁচামাল, রড-সিমেন্টের দোকান, বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক সকলেই তাদের লেনদেনের হিসাবের খাতা আপডেটের করেন কেহ ক্যালেন্ডার বৎসরে কেহ আর্থিক বৎসরে আবার কেহ আরবী বৎসরের অনুসারে। হালখাতা অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ পত্র বিলি করা হয় বেশ কিছুদিন আগে থেকেই নির্ধারিত দিনে লেনদেনের হিসাব দেখে পাওনা পরিশোধ করে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীগণের বকশীষ দিয়ে কখনো মিষ্টি মুখ আবার কখনও ভাত-পোলাও, মাংস খাওয়া দাওয়া হয় মহাজনের পক্ষ থেকে।

হিসাবের খাতায় সবার-ই কিছু বকেয়া থেকে যায় এবং তা বাড়তে বাড়তে অনেক বড় অংকে পরিনত হয়। এতে খদ্দের-দোকানদার-পাইকারী ব্যবসায়ীও হারিয়ে যায়।

হালখাতা
হালখাতা


২০ নভেম্বর ২০২০

মাছূরাহ

 আরবী উচ্চারণ- আল্লাহুম্মা ইন্নী যলামতু নাফসী যুলমান কাছীরা ওয়ালা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা ফাগফীরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রহীম।

বাংলা উচ্চারণ- হে আল্লাহ আমি আমার উপর অত্যাধিক অন্যায় করেছি এবং তুমি ব্যতীত ক্ষমা করার কেউ নেই সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। ক্ষমা একমাত্র তোমার পক্ষ থেকে হয়ে থাকে আমার প্রতি রহম কর নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।

০৮ নভেম্বর ২০২০

দরূদ

আরবী উচ্চারণ- আল্লহুম্মা স্বল্লি আলা মুহাম্মদ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদ কামা স্বল্লাইতা আলা ইব্রাহীম, ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, আল্লহুম্মা বারিক আল মুহাম্মদ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদ কামা বারকতা আলা ইব্রাহীম, ওয়া আলা আলি ইব্রাহীম ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।

বাংলা উচ্চারণ- হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ কর, যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছ ইব্রাহীম (আ) ও তার পরিবারবর্গের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! বরকত অবতীর্ণ কর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার পরিবারবর্গের উপর, যেভাবে তুমি বরকত নাযিল করেছ ইব্রাহীম (আ:) ও তার পরিবার- পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত।

মাছূরাহ


আত্তাহ্হিয়াতূ

 তাশাহ্হুদ- আত্তাহ্হিয়াতূ লিল্লাহি ওয়াস স্বলাওয়াতু ওয়াত্ব ত্বইয়িবাতু আসসালামু আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারাকাতুহ, আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস স্বলিহীন আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসূলুহু।

বাংলা উচ্চারণ- মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক সমস্ত ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী আপনার উপর শান্তি, রহমত ও বরকত অবতীর্ণ হউক। আমাদের উপর এবং নেক বান্দাদের উপরও শান্তি অবতীর্ণ হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ইবাদতের যোগ্য আর কোন মাবুদ নেই আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল।

➡️ দরূদ

২১ অক্টোবর ২০২০

ম্যাজিক ও ভেলকি

 বাড়ির পাশে ইজলাস যাকে বলে এজলাস। হাকীম আছেন, লেখক আছে,সেরেস্তা যেমন অনেক তেমনি অনেক মানুষো আসে এখানে কাজ জমি সংক্রান্ত আগে অনেক বেচাকেনা হয় এখন কিছুটা কমেছে তাই ম্যাজিক, ভেলকি ও যাদু দেখানোর মানুষদের আনাগোনাও কিছুটা কমেছে। আবুল কালাম আজাদ নামে একজন মুখে বিড়ি নিয়ে বলতো "বাচ্চা লোক তালি বাজাও" আমরা বাজাতাম তিনি দাঁতের মাজন বিক্রি করতেন, আর একজন ছিলেন চাঁন মিয়া আর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যারা আসতো তারা অদ্ভুত সব ভেলকি দেখাতো একদিন দুপুরে মজমা দেখে আমিও কাছে গেলাম কিন্তু যেতে মানা, বাচ্চাদের প্রবেশ নিষেধ আমার সাথে আরও দুই এক জন জড়ো হলো নীচু হয়ে পায়ের ফাঁকে দেখি দাঁড়ানো মানুষদের বৃত্তে মাটিতে চাঁদর বিছানো আর ভেলকি বাজ ভেলকি দেখায় আর বলে পকেট সাবধান সঙ্গে "টপলা" একটু পর গুঞ্জন শোনা গেল আমার টপলা নাই, ভেলকি বাজ- দাড়ান আস্তে আস্তে খেলা দেখুন বীচি সহ পুরো মর্দাম্গী ফেরত পেতে হলে,,,,,

ভেলকি হাতের কারসাজি সঙ্গে,,, 

১৮ অক্টোবর ২০২০

সীমানা পিলার

আমার পিতা আনিছুর রহমান ষাট এর দশকে দিনাজপুর থেকে পঞ্চগড়ে আসেন সড়ক/পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারি কাজের জন্য রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন কাজ তিনি করছেন এবং তিস্তা ব্যারেজ এর প্রাক আলোচোনায় ও তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। জীবনের জন্য জীবিকার প্রয়োজনে আসা তারপর এ অঞ্চলে বিয়ে 'আউলিয়া রাইসমিল' এর স্বত্বাধিকারীর সহযোগিতায় এবং বিয়ে পরবর্তীতে বাড়ি তৈরির প্রয়োজনীয়তায় ১৯৭৫খৃষ্টাব্দে  এক খন্ড জমি ক্রয় করে ১৯৭৯ খৃষ্টাব্দে বাড়ি বানিয়ে সেই বাড়ি মেরামত কালে তার ঠিকাদারি কাজের মিরগড় অঞ্চলের শ্রমিকগণ ঘরের খুঁটি পরিবর্তনের সময় মাটির তিন-চার ফুট গভীরে শক্ত কিছুর অস্তিত্ব পেয়ে তা তুলে নেন এবং ছড়ানো অবস্থায় সীমানা পিলারের অব্যবহৃত এ নাম ফলক গুলো খুজে পান। তিনি বলেন, এগুলো ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় PAK বুঝাতে বর্তমান বাংলাদেশ এবং IND ইন্ডিয়া যা একটি পিলারে দুটি দেশের প্রান্ত সীমানা নির্ধারণ করে।
চারকোনা তীর আকৃতির এক ইঞ্চির একটু বেশি দীর্ঘ ছয় পায়া বিশিষ্ট ১০ ইঞ্চি লম্বা ০৬ ইঞ্চি চওড়া ও এক ইঞ্চির ১০এর ০৫ ভাগ পুরু/উচ্চতার এই ফলক গুলো সিমেন্ট,ইট,পাথর,বালুর(চুন-সরকি) জমিতে কিছুটা উচ্চতায় সীমান্তে নিজ নিজ সীমায় স্থাপন করা হয় দেশ বিভাগের সময় ১৯৪৭ সালে। 
১৮৮১ সালে রাজশাহীতে "রেন উইক এন্ড কোম্পানী প্রাইভেট লিমিটেড" নামে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৯৬ সালে আরও একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা কুষ্টিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয় এই কারখানা গুলোতে আখ পোড়াইয়ের এর কল,গুড় জ্বাল দেওয়ার পাত্র ছাড়াও বস্ত্র,তেল ও চাল কলের বিভিন্ন ইন্জিন ও খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরি করা হতো।
মানচিত্র- আয়তনাদি জ্ঞাপক নকশা। কোন নির্দিষ্ট স্কেল ও অভিক্ষেপের দ্বারা সমতল উপরিভাগ বা কাগজের উপর সমগ্র পৃথিবী বা পৃথিবীর কোন প্রতিরুপকে প্রচলিত সাংকেতিক চিহ্নের মাধ্যমে অংকনই মানচিত্র।
স্ট্রিপম্যাপ- বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকার অর্ধ মাইল এলাকা জুড়ে তৈরি করা বিশদ তথ্য সংবলিত মানচিত্র স্ট্রিপম্যাপ(সুক্ষ রেখা ভিত্তিক মানচিত্র) এ মানচিত্রের স্কেল ১৬ ইঞ্চিতে এক মাইল।
স্কেল- রেখার পরিমাপই স্কেল। মানচিত্রের দুটি স্থানের দূরত্ব এবং ভূমির উপরিস্থ উহাদের প্রকৃত দূরত্বের সম্পর্কই স্কেল,দূরত্বের অনুপাত।
To be continue...








 

০৬ আগস্ট ২০২০

৩৪২৪৪

      বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম "দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে"

সালাতের জন্য আমরা নিজেদেরকে প্রস্তুত করি। মসজিদে মুয়াজ্জিনের আযান শুনে জামাতে দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে, যানবাহনে এবং অনেক সময় ইশারা ইঙ্গিতে ও শুধুমাত্র সালাতে পঠিতব্য প্রার্থনা সমুহে তা সম্পূর্ণ করি এ হচ্ছে ফরয এরপর আছে সূন্নত ও নফল এবং রাতের সালাত যার কোনটিই বাদ দেওয়ার উল্লেখ পাওয়া যায় না।

সালাতে আমরা কি করি/পড়ি

০১) সংকল্প- সালাত আদায় করবো, জামাতে- একাকী।

০২) সালাত কোথায় আদায় করবো- মসজিদে- বাড়িতে।

০৩) অজূ- তায়াম্মূম।

০৪) ইক্বামত।

০৫) নির্ধারিত স্থানে কিবলা মুখি হয়ে দাঁড়িয়ে "তাকবীরে তাহরীমা" আল্লাহ আকবার বলে সালাত শুরু করতে হয়  দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে।

০৬) বুকের উপর হাত বাঁধতে হয়।

০৭) সানা পড়তে হয়।

মূসা ইবন ইসমায়ীল (র)  আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাআতের মধ্যে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার মাতাপিতা আপনার উপর কোরবান হোক, তাকবীর ও কিরআত এর মধ্যে চুপ থাকার সময় আপনি কী পাঠ করে থাকেন? তিনি বললেন: এ সময় আমি বলি- ইয়া আল্লাহ ! আপনি মাশরিক ও মাগরিবের মধ্যে যেরুপ দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন, আমার ও আমার ত্রুটি-বিচ্যুতির মধ্যে ঠিক তদ্রুপ দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন। ইয়া আল্লাহ শুভ্র বস্তূকে যেরুপ নির্মল করা হয় আমাকেও সেরুপ পাক- সাফ করুন। আমার অপরাধ সমূহ পানি,বরফ ও হিমশিলা দ্বারা বিধৌত করে দিন- বুখারী হাদীস, ইফা।

আরবী উচ্চারণ- আল্লাহুম্মা বা'ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্ব ইয়া ইয়া কামা বা'আদতা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব। আল্লাহুম্মা নাক্বক্বিনী মিনাল খাত্ব ইয়া, কামা ইয়ূনাক্বকাছ ছাওবূল আব্ইয়াযু মিনাদ দানাস। আল্লাহুম্মাগসিল খাত্ব ইয়া ইয়া বিলমায়ি ওয়াছ ছালজি ওয়াল বারাদ।

বাংলা উচ্চারণ- হে আল্লাহ! আমার ও আমার পাপ সমূহের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও, যেরুপ তুমি দূরত্ব সৃষ্টি করেছ পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার পাপ সমূহ হতে পরিচ্ছন্ন কর, যেরুপ পরিচ্ছন্ন করা হয় ময়লা থেকে সাদা কাপড়কে। হে আল্লাহ! তুমি আমার পাপ সমূহ ধুয়ে ফেল পানি,বরফ ও শিশির দ্বারা।

০৮) আঊযুবিল্লা হিমিনাশ শায়ত্বানির রজীম- আমি বিতাড়িত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। 

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম- পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে ( শুরু করছি)।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম সহ সূরা ফাতিহা সকলের জন্য (বারবার পঠিতব্য সাত আয়াত)। ইমাম উচ্চস্বরে "আমীন" বলার সাথে সাথে "আমীন" বলতে হয়। একাকী সূরা ফাতিহা পাঠ শেষে অন্য সূরা বা আয়াতাংশ মিলিয়ে পড়তে হয়। 

সূরা ফাতিহা (মক্কী, রুকু ০১)-

০১)আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন।

০২) আর রহমানির রহীম। 

০৩) মালিকি ইয়াওমিদ্দিন। 

০৪)ইইয়াকানাবুদু ওয়া ইইয়াকানাস্তাইন। 

০৫) ইহদিনাছ ছিরাত্বাল মুস্তাক্বীম।

০৬) ছিরাত্বাল্লাযীনা আন'আমতা আলাইহিম। 

০৭) গায়রিল মাগযুবি আলাইহিম ওয়ালায যোয়াল্লীন। আমীন।

বাংলা উচ্চারণ- 

০১)সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি সারা জাহানের পালনকর্তা। 

০২)যিনি পরম করুণাময় পরম দয়ালু।

০৩)যিনি বিচার দিনের মালিক।

০৪) আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। 

০৫)দেখাও আমাদের সরল- সোজা পথ। 

০৬) সে লোকদের পথ যাদের তুমি অনুগ্রহ করেছ।

০৭) তাদের পথ নয় যাদের উপর তোমার গজব পড়েছে এবং তাদের পথও নয় যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। আমীন।

সূরা নাছর ১১০( মাদানী,রুকু০১) 

আরবী উচ্চারণ- 

০১) ইযা জ্বাআ নাছরুল্লাহি অলফাতহু। 

০২) অরাআইতান নাছা ইয়াদখুলুনা ফী দীনিল্লাহি অফওয়াজ্বা। 

০৩) ফাছাব্বিহ বিহামদি রাব্বিকা ওয়াছতাগফিরহু; ইন্নাহু কানা তাওয়্যাবা।

বাংলা উচ্চারণ- 

০১)যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে,

০২) এবং আপনি লোকদের দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,

০৩) তখন আপনি রব্বের সপ্রশংস পবিত্রতা- মহিমা বর্ণনা করতে থাকুন এবং তার সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকুন। বস্তূত: তিনি তো অতিশয় তওবা কবুলকারী।

০৯) ক্বিরাআত শেষে রুকুতে যাওয়ার আগে আল্লাহ আকবার বলে 'রাফ'উল ইয়াদায়েন করে দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে রুকুতে যেতে হয় এবং রুকুতে পাঠ করতে হয় 

আরবী উচ্চারণ- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী।

বাংলা উচ্চারণ- হে আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ! তোমার প্রশংসা সহকারে পবিত্রতা বর্ণনা করছি। হে আল্লাহ আমাকে তুমি মাফ করে দাও।

১০) রুকু থেকে উঠে স্থিরভাবে সোজা হয়ে দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে ক্বাওমায় বলতে হয়

আরবী উচ্চারণ- সামি'আল্লা-হু লিমান হামিদাহ।

বাংলা উচ্চারণ- আল্লাহ তার কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে। 

এরপর বলতে হয় 

আরবী উচ্চারণ- আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ।

বাংলা উচ্চারণ- হে আল্লাহ যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র তোমারই।

আরবী উচ্চারণ- রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ, হামদান কাছীরান তাইয়েবাম মুবারাকান ফীহি।

বাংলা উচ্চারণ- হে আল্লাহ! তোমারই জন্য অগনিত প্রশংসা,যা পবিত্র ও বরকতময়। 

১১) ক্বাওমার দো'আ পাঠ শেষে "আল্লাহ আকবার" বলে সিজদায় যেতে হয়। বলা হয়েছে সাত অঙ্গে সিজদা। সিজদায় পাঠ করতে হয়

আরবী উচ্চারণ- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী।

বাংলা উচ্চারণ- হে আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ! তোমার প্রশংসা সহকারে পবিত্রতা বর্ণনা করছি। হে আল্লাহ আমাকে তুমি মাফ করে দাও। 

প্রথম সিজদায় সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী। পাঠ শেষে "আল্লাহ আকবার" বলে সিজদা থেকে উঠে স্থির ভাবে বসে দুই সিজদার মাঝে বলতে হয়-

আরবী উচ্চারণ- আল্লাহুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াহদিনী ওয়া আফিনী ওয়ারঝুকনী।

বাংলা উচ্চারণ- হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মাফ কর, আমায় রহম কর, আমাকে হেদায়েত দান কর,আমায় শান্তি দান কর এবং আমাকে রিযিক দাও।

দিতীয় সিজদায় অনুরূপ সিজদার দো'আ "সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী" পাঠ শেষে "আল্লাহ আকবার" বলে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য উঠে দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা এবং অন্য সূরা বা আয়াতাংশ মিলিয়ে পড়ে রুকু ও সিজদার দো'আ সমুহ পাঠ শেষে আল্লাহ আকবার বলে সিজদা থেকে উঠে স্থিরভাবে বসে দুই রাকাত সালাতের শেষ বৈঠকে "তাশাহহুদ" এ আত্তাহিইয়াতু, দরুদ, দো'আয়ে মাছুরাহ ও অন্য দো'আ পড়তে হয়।

➡️ আত্তাহ্হিয়াতূ

➡️ দরুদ



২২ জুলাই ২০২০

মৃত্যু এবং আপনি

আপনজনের মৃত্যু, আমি ও আমরা। কোন কিছু হারিয়ে গেলে খুঁজি- খুঁজতে থাকি পাওয়া গেলে আনন্দ অন্যথায় কষ্ট অনুভব হারিয়ে যাওয়ায় জীবনে। এ চলতেই থাকে পরিচিত মানুষদের চলে যাওয়া, ধরে থাকার আপ্রাণ চেষ্টায় চিকিৎসা সেবা খাদ্য পানীয়ে- দোওয়া, দাওয়া,পথ্যে আপন অনাআত্মিয়ে বিহ্বল তাকিয়ে থাকা। 

ইশা সালাতের ফযীলত

ইসহাক ওয়াসিতী(র) আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল মুযানী (রা) থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক আযান ও ইকামতের মধ্যে সালাত রয়েছে। এ কথা তিনি তিন বার বলেন (তারপর বলেন) যে চায় তার জন্য।
বুখারী হাদীস, আযান অধ্যায়, দ্বিতীয় খণ্ড- ইফা।

হাজ্জাজ ইবন মিনহাল(র)  বারা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে থাকাকালে সময় 'ইশার সালাতের দুই রাকআতের কোন এক রাকআতে 'সূরা তীন' পাঠ করেছেন।
বুখারী হাদীস, তাফসীর অধ্যায়, অষ্টম খণ্ড-ইফা।

২১ জুলাই ২০২০

মাগরিব সালাতের ফযীলত

ইসহাক ওয়াসিতী(র) আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল মুযানী (রা) থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,প্রত্যেক আযান ও ইকামতের মধ্যে সালাত রয়েছে। এ কথা তিনি তিন বার বলেন (তারপর বলেন) যে চায় তার জন্য।
বুখারী হাদীস, আযান অধ্যায়, দ্বিতীয় খণ্ড- ইফা।

২০ জুলাই ২০২০

আসর সালাতের ফযীলত

ইসহাক ওয়াসিতী(র) আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল মুযানী (রা) থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,প্রত্যেক আযান ও ইকামতের মধ্যে সালাত রয়েছে। এ কথা তিনি তিন বার বলেন (তারপর বলেন) যে চায় তার জন্য।
বুখারী হাদীস, আযান অধ্যায়, দ্বিতীয় খণ্ড- ইফা।